Sunday, October 9, 2016

খাগড়াছড়ি ভ্রমন

Posted By: I will photoshop editing,image manipulation and best image retouching quality service - 8:03 AM
ঢাকা হতে খাগড়াছড়ির দূরত্ব হচ্ছে ২৬৬ কিলোমিটার ও চট্টগ্রাম হতে দূরত্ব হচ্ছে ১১২ কিলোমিটার। খাগড়াছড়ি জেলা চট্টগ্রাম বিভাগের অধিনে। আয়তন হচ্ছে ২৬৯৯.৫৫ বর্গ কিলোমিটার। এর স্থানীয় নাম চেংমী। প্রকৃতি অকৃপণভাবে সাজিয়েছে খাগড়াছড়িকে। স্বতন্ত্র করেছে বিভিন্ন অনন্য বৈশিষ্ট্যে। এখানে রয়েছে আকাশ-পাহাড়ের মিতালী, চেঙ্গী ও মাইনী উপত্যকার বিস্তীর্ণ সমতল ভূ-ভাগ ও উপজাতীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র্যতা। মহালছড়ি, দীঘিনালা, পানছড়ি, রামগড়, লক্ষ্মীছড়ি, মানিকছড়ি, মাটিরাঙ্গা যেদিকেই চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ।
খাগড়াছড়ি ম্যাপ

দর্শনীয় স্থানঃ

১) আলুটিলাঃ
সৌন্দর্যের ঐশ্বর্যময় অহঙ্কার খাগড়াছড়ি শহরের প্রবেশ পথ আলুটিলা। জেলা সদর থেকে মাত্র ৮ কি:মি: পশ্চিমে এ আলুটিলা। এ টিলার মাথায় দাঁড়ালে সমগ্র শহর হাতের মুঠোয় চলে আসে। শহরের ছোট খাট ভবন, বৃক্ষ শোভিত পাহাড়, চেংগী নদীর প্রবাহ ও আকাশের আল্পনা মনকে অপার্থিব মুগ্ধতায় ভরে তোলে। প্রাকৃতিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণের জন্য টিলায় একটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ারও আছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের একটি চমৎকার ডাকবাংলোও রয়েছে এখানে। আগ্রহী পর্যটকগণ ইচ্ছে করলে রাত্রিযাপনও করতে পারেন।

২) আলুটিলার সুরঙ্গ বা রহস্যময় গুহাঃ
পাহাড়ের চূড়া থেকে ২৬৬ টি সিঁড়ি বেয়ে নীচে নেমেই গুহামুখ। আলুটিলা সুরঙ্গের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮২ ফুট।



সাজেক রিসোরট,খাগড়াছড়ি
ট্রাভেলারস অফ বাংলাদেশ গ্রুপ এ এত বেশি ব্লগ আর রিভিউ দেখে যাওয়ার লোভ সাম্লাতে পারলাম না !!ছবি টি তুলা হয়েছে ভোর 5 টায় !! 10 টা পরজন্ত সুন্দর মেঘ থাকে

কিভাবে যাবেন : ঢাকা টু খাগড়াছড়ি বাস ভাড়া এসি 900,নন এসি 520 !! 7 ঘন্টা লাগে যেতে !!
তারপর 
অইখান থেকে জিপ !! আমরা মেইন সিটি থেকে এক দিনের জিপ নিয়েছিলাম 5000 টাকায় !! নরমালি 800 0 লাগে !!যেই দোকানে নাস্তা করেছিলাম তারা ঠিকক করে দিয়েছিলো বলে কম লেগেছে !! আর সাজেক রিসোট এ ভি আই পি রুম নিয়েছিলাম , ভাড়া নিয়েছে 3500 (ডিস্কাউনট ছিলো)
4 বেলা খেয়েছি বিল ছিলো 1500 টাকা , রান্না মারাত্তক মজা

১.প্রার্কৃতিক ঝর্না২.চা বাগান।৩.রহস্যময় সুরঙ্গ।৪.নিউজিল্যান্ড।৫.অরন্য কুটির।৬.দেবতা পুকুর৭.আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র৮. হেরিটেজ র্পাক।কি নেই বলেন? আরো অনেককিছু আছে যা আমার অজানা।যারা মনে করেন বাংলাদেশে রাঙ্গামাটিই খুব সুন্দর তারা অনেক ভুল করেন। খাগড়াছড়ির সৌন্দর্যের ধারে কাছেও নাই রাঙ্গামাটি। শুধু প্রচারের অভাবেই সবাই বন্চিত হচ্ছেন প্রকৃতির এই অপরুপ সৌন্দর্য।


সৃষ্টিকর্তা অকৃপণভাবে সাজিয়েছে খাগড়াছড়িকে। স্বতন্ত্র করেছে বিভিন্ন অনন্য বৈশিষ্ট্যে। এখানে রয়েছে আকাশ-পাহাড়ের মিতালী, চেঙ্গী ও মাইনী উপত্যকার বিস্তীর্ণ সমতল ভূ-ভাগ ও উপজাতীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র্যতা। যেদিকেই চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে আর রহস্যময়তায় ঘেরা খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা প্রকৃতিপ্রেমী, অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় বা ভ্রমণবিলাসীদের জন্য আদর্শ স্থান।প্রকৃতির অনন্য সৌন্দর্য ছড়িয়ে আছে এ জেলার আনাচে-কানাচে। এ জেলার বৈচিত্র্যময় জীবনধারা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সবাইকে বিমোহিত করে।
দর্শনীয় স্থানঃ
1) তৈদুছড়া
2) আলুটিলা
3) আলুটিলা রহস্যময় সুগঙ্গ
4) দেবতার পুকুর
5) মহালছড়ি হ্রদ
6) শতায়ুবর্ষী বটগাছ
7) পাহাড়ী কৃষি গবেষণা কেন্দ্র
8) রিছাং ঝর্না
9) ভগবান টিলা
10) দুই টিলা ও তিন টিলা
11) মানিকছড়ি মং রাজবাড়ি
12) বন ভান্তের প্রথম সাধনাস্থল
13) রামগড় লেক ও চা বাগান
যেভাবে যাবেনঃ
রাজধানী ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন আরামদায়ক বাস ছাড়ে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০-১৫টি। সায়দাবাদ, কমলাপুর, গাবতলী, ফকিরাপুল, কলাবাগান ও টিটি পাড়া থেকে টিকেট সংগ্রহ করে এস আলম, স্টার লাইন, শ্যামলী, সৌদিয়া, শানিত্ স্পেশাল ও খাগড়াছড়ি এক্সপ্রেসযোগে খাগড়াছড়ি যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে ট্রেনে ফেনী এসেও হিলকিং অথবা হিল বার্ড বাসে চড়ে খাগড়াছড়ি যাওয়া যায়। চট্টগ্রামের অক্সিজেন থেকেও শানিত্ম স্পেশাল ও লোকাল বাসে উঠে যাওয়া যায় খাগড়াছড়িতে।
কোথায় থাকবেন:
পর্যটকদের জন্য খাগড়াছড়িতে রয়েছে অনেক আবাসিক হোটেল। পর্যটন মোটেলে থাকতে পারেন, এছাড়া আছে জিরান হোটেল, হোটেল শৌল্য সুবর্ণ, থ্রী স্টার হোটেল, হোটেল লবিয়ত। কিছু হোটেল এর ফোন নাম্বার দেওয়া হলোঃ
পর্যটন মোটেলঃ ৬২০৮৪ ও ৬২০৮৫
হোটেল শৌল্য সুবর্ণঃ ৬১৪৩৬
জিরান হোটেলঃ ৬১০৭১
হোটেল লিবয়তঃ ৬১২২০
চৌধুরী বাডিং: ৬১১৭৬
থ্রি ষ্টার: ৬২০৫৭
ফোর ষ্টারঃ ৬২২৪০
উপহারঃ ৬১৯৮০
হোটেল নিলয়ঃ ০১৫৫৬-৭৭২২০৬


কিভাবে যাবেনঃ সাজেক রাঙামাটি জেলায় হলেও খাগড়াছড়ি দিয়ে যোগাযোগের সুবিধা বেশি। ঢাকা থেকে বাসে সরাসরি খাগড়াছড়ি। ঢাকার কলাবাগান বা সায়েদাবাদ থেকে বাস পাওয়া যায়। এস আলম, সৌদিয়া, ঈগল, শ্যামলী, শান্তি এবং সেন্টমার্টিন পরিবহণের(এসি) বাস চলাচল করে এই রোডে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসের ভাড়া ৫৮০ টাকা। সেন্টমার্টিন পরিবহণের (এসি) বাসের ভাড়া ৮২০ টাকা।ঢাকা থেকে আনুমানিক ৭ ঘন্টায় খাগড়াছড়ি বাস স্ট্যান্ডে পৌঁছানো যায়। সেখান থেকে চান্দের গাড়িতে সাজেক ভ্যালি। চান্দের গাড়ি রিজার্ভ ৮০০০ টাকা।
কোথায় থাকবেনঃ কম টাকায় বিশাল বহর নিয়ে থাকতে চাইলে সাজেক ক্লাব হাউস। ভাড়া মাথাপিছু ২০০ টাকা। এ ছাড়া আরো রয়েছে সেনাবাহিনী পরিচালিত সাজেক রিসোর্ট ও বিজিবি পরিচালিত রুন্ময় কটেজ। অগ্রিম বুকিং ও মৌসুম অনুযায়ী রুম ভাড়া জানার জন্য নেটে সার্চ দিলেই যাবতীয় তথ্য মিলে যাবে।
গাড়িঃ সাজেকে কোন গাড়ি পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম, তাই যে গাড়িতে যাবেন তাদের সাথেই আসার ব্যাপারে কথা বলে রাখবেন।
হোটেল/রিসোর্ট বুকিং না পেলেঃ সাজেকে হোটেল/রিসোর্টের বুকিং না পেলে হতাশ হবেন না। হোটেল/রিসোর্টের পাশাপাশি আদিবাসী বাসায় থাকা যায়।
সাজেকের হোটেলের সর্বনিম্ন ও সবোর্চ্চ ভাড়াঃ
সেনাবাহিনী পরিচালিত সাজেকে রিসোর্টের এক রুমের ভাড়া ১৭ হাজার টাকা। তবে আদিবাসীদের বাসায় সর্বনিম্ন ১৫০ টাকায় থাকা যায়।
ক্যাম্পিং: সাজেকে ক্যাম্পিং করা যায় তবে ডিউটি আর্মি অফিসারের অনুমতি সাপেক্ষে।
নিরাপত্তাঃ সাজেকের নিরাপত্তা দায়িত্ব বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হওয়ায় এখানে নিরাপত্তার কোন সমস্যা নাই।
সোলারঃ সাজেকে বিদ্যুৎ নেই, সবকিছু সোলারে চলে, এমনকি ল্যাম্পপোস্টও!
প্রাইভেট কারঃ প্রাইভেট কার নিয়ে সাজেক যাওয়া যায়। তবে চালককে দক্ষ এবং এই রাস্তায় গাড়ি চালানোর পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
মোবাইল নের্টওয়াকঃ সাজেকে রবি এবং টেলিটক ছাড়া কোন মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই, তবে রবির নেটওয়ার্ক অপেক্ষাকৃত ভালো।
পাওয়ার ব্যাঙ্কঃ মোবাইল চার্জ দেওয়ার জন্য অবশ্যই পাওয়ার ব্যাঙ্ক নিয়ে যেতে হবে। সোলারে মোবাইল চার্জ দিতে অনেক সময় লাগে।
সাজেকের যাবার উপযুক্ত সময়ঃ সাজেকে যাওয়ার উপযুক্ত সময় সারাবছরই, যখনি যান সাজেকের একটা রূপ পাবেনই, সাজেক আপনাকে কখনোই নিরাশ করবেনা। তবে বর্ষার বিকেলের সাজেক এবং শরৎ কিংবা হেমন্তে সাজেকের পূর্ণিমারাতের সাজেক অন্যান সময় ..




About I will photoshop editing,image manipulation and best image retouching quality service

Organic Theme is officially developed by Templatezy Team. We published High quality Blogger Templates with Awesome Design for blogspot lovers.The very first Blogger Templates Company where you will find Responsive Design Templates.

1 comments:

  1. খাগড়াছড়ি ভ্রমন ~ Tourist Spots Of Bangladesh >>>>> Download Now

    >>>>> Download Full

    খাগড়াছড়ি ভ্রমন ~ Tourist Spots Of Bangladesh >>>>> Download LINK

    >>>>> Download Now

    খাগড়াছড়ি ভ্রমন ~ Tourist Spots Of Bangladesh >>>>> Download Full

    >>>>> Download LINK

    ReplyDelete

Copyright © 2015 Tourist Spots of Bangladesh || Blog for visiting, Traveling bangladesh

Designed by Templatezy | Distributed By Blogger Templates