অনেকেই বলেন বাংলাদেশে কোন সুন্দর ঘোরার জায়গা নেই। কিন্তু এটা একটা সম্পূর্ন ভুল ধারনা। বাংলাদেশে এতো অসাধারন সব পর্যটন ক্ষেত্র রয়েছে যেগুলো না দেখলে বিশ্বাস হয়না। এখন আপনাদের দেখাবো এমন কিছু অসাধারন জায়গা। আপনারা অবসরে এগুলো থেকে সহজেই ঘুরে আসতে পারেন।
এই ছবিগুলোর কোনটিই আমাদের নিজেদের তোলা নয়। প্রতিটি ছবির ফটোগ্রাফারের নাম আমরা ছবির নিচে ম্যানশন করে দিয়েছি। যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে এসব ছবি আমাদের সামনে তুলে এনেছেন তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।
রাঙ্গামাটির সাজেক ভ্যালির পাহাড়ের উপরের দৃশ্য।
রাইখং ফলস, পুকুয়ারপাড়া, রাঙ্গামাটি
নীলগিরি রিসোর্ট, বান্দরবান
নীলগিরি বান্দরবান থেকে সূর্যাস্ত
সাজেক, রাঙামাটি: বহুরূপী সাজেক মাঝে মাঝে এরকমভাবেই ভয়ংকর সুন্দর হয়ে উঠে।
যেভাবে যাবেন: ঢাকা হতে বাসে করে খাগড়াছড়ি, তারপর সেখান থেকে চান্দের গাড়ি করে সাজেক।
রাঙ্গামাটি অসাধারণ একটি ট্রেইল! এক ট্রেইলেই অসংখ্য ঝর্ণা আর বিশাল আকারের ক্যাসকেড দেখা যায়। এই ট্রেইলে সাদরা ঝর্ণাতে বাংলাদেশের (সম্ভবত) সবচেয়ে বড় ওয়াটার স্লাইড রয়েছে। প্রতিটি ঝর্ণা আর তার ঝিরিপথ অসম্ভব সুন্দর। পথগুলো কোনোটা গুহার মত, কোনোটা আবার খাড়া পর্বত! ওয়াটার স্লাইডের পথটা ভীষণ রিস্কি বলা চলে :/ তবে ট্রেইলপ্রিয় মানুষের সেটা এক অন্যরকম অ্যাডভেঞ্চার :D !
কিভাবে যাবেনঃ রাঙ্গামাটির কাপ্তাই থেকে নৌকায় বিলাইছড়ি। সেখান থেকে আবারো নৌকায় বাঙালকাটায়। এরপর গাইড নিয়ে বিলাইছড়ি (সাদরা) ট্রেইল !
*আগের পোস্টে একের অধিক ছবি দেয়ায় বেশির ভাগ ছবিই ডিলিট করতে হয়েছিল। এবার পুরো ট্রেইলের ঝর্ণার ছবিগুলো Collage করে দেয়া হলো
বান্দরবান শহর থেকে ৪৭ কিলোমিটার দূরে কাফ্রুপাড়ার কাছে নীলগিরিকে পর্যটকরা আদর করে ডাকেন ‘মেঘের বাড়ি’। খুব ভোরে এবং শেষ বিকেলে নীলগিরি হিল রিসোর্টের সুদৃশ্য কটেজগুলো দূর থেকে দেখলে মনে হয় মেঘের ওপর ভেসে আছে কয়েকটা ছড়ানো-ছিটানো সাজানো ঘর। সেনাবাহিনী পরিচালিত এই হিল রিসোর্টে কটেজ ছাড়াও আছে হেলিপ্যাড, সুদৃশ্য বাগান এবং পর্যটকদের বিশ্রাম নেওয়ার জন্য ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অনেক আসন।
নীলগিরি যেতে চাইলে ঢাকা থেকে বাসে প্রথমেই আসতে হবে পার্বত্য শহর বান্দরবানে। সেখান থেকে বাস অথবা চান্দের গাড়িতে নীলগিরি। রিজার্ভে চান্দের গাড়িতে আসা-যাওয়া মিলিয়ে খরচ তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা। একটা চান্দের গাড়িতে বড়জোর ১৪ জন যাত্রী ধরে। বাসে যেতে চাইলে থানচি বাসস্ট্যান্ড থেকে থানচির বাসে চেপে নেমে পড়তে হবে নীলগিরিতে। ভাড়া ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। থানচি বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে দুই ঘণ্টা অন্তর বাস থানচির উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
নীলগিরিতে থাকার জন্য আছে বেশ কয়েকটি অত্যাধুনিক রিসোর্ট। তবে এসব কটেজে থাকতে চাইলে তিন-চার মাস আগেই বুকিং দিয়ে রাখতে হবে। সেনাবাহিনীতে কর্মরত কর্মকর্তার রেফারেন্স থাকলে বুকিং দিতে সুবিধা হয়।
কেওক্রাডং
এ দেশের অনেক ট্রেকারেরই ‘পায়ে খড়ি’ কেওক্রাডং পাহাড়ের চূড়ায় উঠে। অনেক নথিপত্রে এ চূড়াকে দেশের উচ্চতম বা দ্বিতীয় উচ্চতম পাহাড়চূড়া হিসেবে উল্লেখ করা হয়। উচ্চতা তিন হাজার ১৭২ ফুট। কেওক্রাডংয়ের চূড়া থেকে চারপাশের পাহাড় ও পাহাড়ের রেঞ্জগুলোর অসাধারণ ভিউ পাওয়া যায়। আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেশের সুউচ্চ সব পাহাড়ের দেখা মেলে কেওক্রাডংয়ের চূড়া থেকে।
যেতে চাইলে
বগা লেক ও কেওক্রাডংয়ে থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা আছে। রাতে থাকতে টাকা খরচ হবে। প্রতিবেলা খাবার খেতেও সমপরিমাণ টাকা গুনতে হবে।









রাঙামাটি ভ্রমন ~ Tourist Spots Of Bangladesh >>>>> Download Now
ReplyDelete>>>>> Download Full
রাঙামাটি ভ্রমন ~ Tourist Spots Of Bangladesh >>>>> Download LINK
>>>>> Download Now
রাঙামাটি ভ্রমন ~ Tourist Spots Of Bangladesh >>>>> Download Full
>>>>> Download LINK