সম্ভাব্য ভ্রমণের তারিখ
আগামী
২৩
ডিসেম্বর রোজ
শুক্রবার। গন্তব্য ঢাকার
দক্ষিন
বাড্ডা
থেকে
শুরু
করে
সাভারের সাপের
বাজার,
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও
পাখি
দর্শন,
স্মৃতি
সৌধ,
মানিকগঞ্জের বালিয়াটি জমিদার
বাড়ি
হয়ে
টাঙ্গাইলের মোহেরা
জমিদার
বাড়ি
পর্যন্ত।
গতকাল
রাতে
"সাভারের সাপের"
বাজার
বিষয়ে
তথ্য
চেয়ে
TOB পোষ্ট
করে
কিছুই
জানতে
পারিনি। তাই
গুগলকেই আশ্রয়
হিসেবে
গ্রহণ
করতে
হল।
আর
তার
ভিত্তিতেই নিজের
মত
একটি
পরিকল্পনা করে
ফেললাম। নিচের
অনভিজ্ঞ সম্ভাব্য ভ্রমণ
বিবরণ
থেকে
যদি
কেউ
ভুল
ত্রুটি
ধরিয়ে
দিয়ে
সহযোগিতা করেন
অথবা
উত্তম
কোনও
পরামর্শ দেন
তাহলে
কৃতজ্ঞ
হব।
সকালে
৬.৩০ টায় দক্ষিন
বাড্ডা
থেকে
বের
হয়ে
গাবতলী
হয়ে
"সাভারের পোড়াবাড়ি" (গুগল অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যমতে এখানেই
সাপের
বাজার
অবস্থিত) পৌঁছে
যাব
সাড়ে
৮
টার
মধ্যে।
পোড়াবাড়ি যেতে
হলে
বাস
থেকে
নামতে
হবে
সাভারের রেডিও
কলোনি
বাস
স্ট্যান্ডের খানিকটা আগে।
ওখান
থেকে
কিছু
একটায়
চড়ে
"পোড়াবাড়ি"।
আশা
করি
সেখানে
সাপ
কেনা-দেখা শেষ করবো
৯
টার
মধ্যে
(যদিও
প্রতিদিন বাজারে
সাপ
উঠে
কিনা
তার
বিষয়ে
জানা
নেই)। সাপ কিনবো,
সে
সাপ
- যে
সাপের
চোখ
নেই,
শিং
নেই,
নোখ
নেই,
ছোটে
না
কি
হাঁটে
না,
কাউকে
যে
কাটে
না,
করে
না
কো
ফোঁসফাঁস মারে
নাকো
ঢুসঢাস,
নেই
কোন
উৎপাত,
খায়
শুধু
দুধভাত......
সকাল
৯.৩০ এর মধ্যে
পোড়াবাড়ি থেকে
যাত্রা
শুরু
করবো
অতিথী
পাখিদের অভয়ারণ্য "জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের" পথে। আশা
করি
৩০
মিনিটের মধ্যে
অর্থাৎ
সকাল
১০
টার
মধ্যেই
পাখিদের সাথে
উৎসবে
মেতে
উঠতে
সক্ষম
হব।
ওখানে
পাখি,
ক্যাম্পাস আর
বিশ্ববিদ্যালয়ের পিছনের
গ্রামের মেঠো
পথের
জন্য
সময়
ধরে
রাখলাম
২
ঘণ্টা।
বাজলো
তবে
১২
টা।
তার
পর
দুপুর
১২
টায়
বের
হয়ে
চলে
যাব
জাতির
গর্ব
স্বাধীনতার কারিগর
বীর
শহীদদের শ্রদ্ধায় নির্মিত "জাতীয় স্মৃতি
সৌধ"
দেখতে।
আশা
করছি,
জাহাঙ্গিরনগর থেকে
নবীনগর
যাওয়া,
স্মৃতি
সৌধ
ঘুরে
দেখা,
শহীদদের কবর
জিয়ারত
করা,
জুম্মার নামাজ
আদায়
এবং
দুপুরের খাওয়া
শেষ
করে
ফেলব
দুপুর
২.১৫ / ২.৩০
টার
মধ্যে।
তার
পর
গন্তব্য মানিকগঞ্জের "বালিয়াটি জমিদার
বাড়ি"। মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় অবস্থিত "বালিয়াটি জমিদার
বাড়ি"
যেতে
গুগল
ম্যাপের হিসেবে
প্রাইভেট কারে
৫৪
মিনিট
লাগবে।
বাস,
অটো
ইত্যাদি মিলিয়ে
আশা
করি
বিকেল
চারটা
নাগাদ
"বালিয়াটি" পৌঁছে যাব।
তার
পর
জমিদারের জমিদারী দর্শনের পর
ফিরতি
যাত্রা
সন্ধ্যা ৬
টার
মধ্যে
আরম্ভ
করা
সম্ভব
হবে
বলেই
মনে
করছি।
এখানেই
আলবিদা
এই
অঞ্চল
ভ্রমণের।
তবে,
হ্যাঁ
একটা
"তবে"
রয়েছে
মনে
মনে।
যদি
হিসেব
নিকেশ
ঠিক
না
থেকে
সময়
বেঁচে
যায়
আর
কোনও
রকমভাবে দুপুর
তিনটার
মধ্যে
সাটুরিয়া পৌঁছে
যাই
তবে
ওখানে
একটু
তাড়াহুড়ো করে
শেষ
করে
টাঙ্গাইল মোহেরা
জমিদার
বাড়ি
চলে
যাব।
দুই
জমিদারের জমিদারি দেখার
আশাটা
যদি
পূরণ
হয়েই
যায়
তাহলে
ভালোই
লাগবে।
আশু
পরামর্শ ও
সহযোগিতার অপেক্ষায়।
ধন্যবাদ।


0 comments:
Post a Comment