Latest Releases

Tuesday, November 22, 2016

দর্শনীয় স্থান নাম কিভাবে যাওয়া যায় অবস্থান হযরত খানজাহান আলী (রঃ) ও তাঁর মাজার বাগেরহাট জেলা থেকে অটোযোগে হযরত খানজাহান আলী (রঃ) এর মাজার যাওয়া যায় বাগেরহাট ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাট জেলা থেকে অটোযোগে ষাট গম্বুজ মসজিদে যাওয়া যায় বাগেরহাট সদর, বাগেরহাট খাঞ্জেলী দীঘি বাগেরহাট জেলা থেকে অটোযোগে খাঞ্জেলী দীঘিতে যাওয়া যায় বাগেরহাট সিংগাইর মসজিদ বাগেরহাট নয়গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাট সাবেকডাঙ্গা

হযরত উলুঘ খানজাহান আলি (র.) ১৩৬৯ খ্রিষ্টাব্দে দিল্লিতে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আকবর খাঁ এবং মাতার নাম আম্বিয়া বিবি ( সূত্র দরকার)। ধারণা করা হয় যে তার পূর্বপুরুষগণ তুরস্কের অধিবাসী ছিলেন।[১] খানজাহান আলির প্রাথমিক শিক্ষা তার পিতার কাছে শুরু হলেও তিনি তার মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন দিল্লিস্থ বিখ্যাত ওয়ালি এ কামিল পির শাহ নেয়ামত উল্লাহর কাছে। তিনি কুরআন, হাদিস, সুন্নাহ ও ফিকহ শাস্ত্রের উপর গভীর জ্ঞানার্জন করেন।
খানজাহান আলি ১৩৮৯ খ্রিষ্টাব্দে সেনা বাহিনীতে সেনাপতির পদে কর্ম জীবন আরম্ভ করেন। অতি অল্প সময়ের মধ্যেই প্রধান সেনাপতি পদে উন্নীত হন। ১৩৯৪ এ মাত্র ২৬/২৭ বছর বয়সে তিনি জৈনপুর প্রদেশের জাবিতান (গভর্নর) পদে যোগ দেন। পরবর্তীতে সুলতান খানজাহানের নেতৃত্বে ৬০,০০০ সুশিক্ষিত অগ্রবর্তী সেনাদল সহ আরও দুই লক্ষ সৈন্য নিয়ে বাংলা আক্রমণ করলে রাজা গণেশ দিনাজপুরের ভাতুরিয়াতে আশ্রয় নেন (সূত্র প্রয়োজন)। ১৪১৮ খ্রিষ্টাব্দে খানজাহান যশোরের বারবাজারে অবস্থান নেন এবং বাংলার দক্ষিণ পশ্চিম অংশে ইসলাম ধর্ম প্রচার ও প্রসার আরম্ভ করেন।
খানজাহানের প্রথম স্ত্রীর নাম সোনা বিবি। কথিত আছে সোনা বিবি ছিলেন খানজাহানের পির নুর-কুতুবুল আলমের একমাত্র কন্যা। খানজাহানের দ্বিতীয় স্ত্রী রূপা বিবি ওরফে বিবি বেগনি ধর্মান্তরিত মুসলমান ছিলেন। খানজাহান আলি তাঁর দুই স্ত্রীর নাম অনুসারে সোনা মসজিদ এবং বিবি বেগনি মসজিদ নামে মসজিদ নির্মাণ করেন।
হযরত খানজাহান আলি (র.) অক্টোবর ২৫, ১৪৫৯ তারিখে (মাজারশরিফের শিলালিপি অনুযায়ী ৮৬৩ হিজরি ২৬শে জিলহাজ) ষাট গম্বুজ মসজিদের দরবার গৃহে এশার নামাজ রত অবস্থায় ৯০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
প্রতি বছর চৈত্র মাসের পূর্ণিমার সময় খান জাহান আলির মাজারে ওরস অনুষ্ঠিত হয় এবং লক্ষাধিক লোক তাতে সমবেত হয়। বর্তমানে মোড়ল বংশ তারই সবচেয়ে নিকটবর্তী বংশধর হিসেবে খুলনা ,রামপালসহ বিভিন্ন দেশ বিদেশ এ বসবাস করছে।
Read »

Sunday, November 20, 2016

ষাট গম্বুজ মসজিদ,বাগেরহাট

ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাট জেলায় অবস্হিত । ১৫ শতকের দিকে উলঘ খান-ই-জাহান এই মসজিদটি নির্মাণ করেন । প্রত্নসহানটি ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো  ঘোষিত বিশ্বঐতিহ্য কেন্দ্র হিসেবে ঘোষিত হয় । অত্র এলাকায় বেশ কিছু মসজিদ, সহাপনা, সমাধি, পুকুর ও ঢিবি পাওয়া গেছে । ষাট গমবুজ মসজিদ এদের মধ্যে অন্যতম । মসজিদটিতে ৮১ টি গমবুজ রয়েছে । মসজিদ এলাকায় ছোট আকৃতির একটি জাদুঘর রয়েছে ।
মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে বাইরের দিকে প্রায় ১৬০ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ১৪৩ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে বাইরের দিকে প্রায় ১০৪ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ৮৮ ফুট চওড়া। দেয়ালগুলো প্রায় ৮·৫ ফুট পুরু।
জনশ্রুতি আছে যে, হযরত খানজাহান (রঃ) ষাটগম্বুজ মসজিদ নির্মাণের জন্য সমুদয় পাথর সুদুর চট্রগ্রাম, মতামত্মরে ভারতের উড়িষ্যার রাজমহল থেকে তাঁর অলৌকিক ক্ষমতা বলে জলপথে ভাসিয়ে এনেছিলেন। ইমারতটির গঠন বৈচিত্রে তুঘলক স্থাপত্যের বিশেষ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। এ বিশাল মসজিদের চতুর্দিকে প্রাচীর ৮ফুট চওড়া, এর চার কোনে চারটি মিনার আছে। দক্ষিণ দিকের মিনারের শীর্ষে কুঠিরের নাম রোশনাই কুঠির এবং এ মিনারে উপরে উঠার সিড়ি আছে। মসজিদটি ছোট ইট দিয়ে তৈরী, এর দৈর্ঘ্য ১৬০ফুট, প্রস্থ ১০৮ ফুট, উচ্চতা ২২ফুট। মসজিদের সম্মুখ দিকের মধ্যস্থলে একটি বড় খিলান এবং তার দুই পাশে পাঁচটি করে ছোট খিলান আছে। মসজিদের পশ্চিম দিকে প্রধান মেহরাবের পাশে একটি দরজাসহ মোট ২৬টি দরজা আছে। সরকারের প্রত্নতত্ত্ব ও যাদুঘর বিভাগ পুরাকীর্তি হিসেবে সংরক্ষণের জন্য এ ঐতিহাসিক মসজিদ এবং খানজাহান (রঃ) এর মাজার শরীফের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে । ইউনেস্কো এ মসজিদটি বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অমত্মর্ভূক্ত করেছে।
কিভাবে যাবেন বাগেরহাট:
ঢাকার গাবতলী থেকে ঈগল, সোহাগসহ আরো কিছু পরিবহনের বাসে বাগেরহাট যাওয়া যায়। ভাড়া ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। যাতায়াতে সময় লাগে প্রায় ৭ ঘন্টা। আন্তঃনগর ট্রেন সুন্দরবন এক্সপ্রেসে খুলনা গিয়ে এরপর বাস ধরে বাগেরহাটে যেতে পারেন। রূপসা থেকে বাগেরহাটে যেতে প্রায় ৪০ মিনিট লাগে।
ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে করে বাগেরহাটে পৌছাতে পারবেন। ঢাকা থেকে বাগেরহাটে চলাচলকারী বাসগুলোর মধ্যে রয়েছঃ
১। মেঘনা পরিবহন
সায়েদাবাদ টার্মিনাল
যোগাযোগঃ ০১৭১৭১৭৩৮৮৫৫৩
ভাড়াঃ ৩৫০/-টাকা
২। শাকুরা পরিবহন
গাবতলি টার্মিনাল
যোগাযোগঃ ০১৭১১০১০৪৫০
ভাড়াঃ প্রায় ৫০০/-টাকা
৩। পর্যটক পরিবহন
সায়েদাবাদ টার্মিনাল
যোগাযোগঃ ০১৭১১১৩১০৭৮
ভাড়াঃ প্রায় ৩৫০/-টাকা
৪। সোহাগ পরিবহন
গাবতলি টার্মিনাল
যোগাযোগঃ ০১৭১৮৬৭৯৩০২
ভাড়াঃ ৩৮০/- টাকা
বাসস্ট্যান্ড থেকে ষাট গম্বুজ মসজিদ সাত কিলোমিটার। রিকশাভাড়া ৩০ টাকা। অটো ভাড়া ৫০-৭০ টাকা এবং মাজার গেট থেকে ১৫-২০ টাকা। মসজিদ ও জাদুঘর কমপ্লেক্সে প্রবেশ ফী ২০ টাকা । তবে, সময় স্বল্পতা না থাকলে বাসস্ট্যান্ড থেকে পায়ে হেঁটেই এই মসজিদে পৌছাতে পারবেন। বাসস্ট্যান্ড থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে হাঁটলেই আপনি দরগার দেখা পাবেন। দরগা থেকে ষাটগম্বুজ মসজিদ ২ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত।
কোথায় থাকবেন :
বাগেরহাটে থাকার জন্য খুব বেশি হোটেল নেই। তবে এখানে রেল রোডে অবস্থিত মমতাজ হোটেলে থাকতে পারেন। এই হোটেলটিতে সুযোগ সুবিধা কম থাকলেও সেবার মান মোটামোটি ভাল এবং খরচও একটু বেশি। বাগেরহাট সদরে বিভিন্ন হোটেল আছে । এছাড়াও সরকারি গেস্টহাউস আছে। তাছাড়া খান জাহান আলীর মাজারের সামনে মেইন হাইওয়েতে থাকতে পারবেন “হোটেল অভি”-তে । ভাড়া ৪০০ টাকা। ফোন: ০১৮৩৩৭৪২৬২৩
কি করবেন :
ষাটগম্বুজ মসজিদের আশেপাশে আপনি আরো কয়েকটি ছোট মসজিদ ঘুরে দেখতে পারেন। এগুলো হলঃ ষাট গম্বুজ মসজিদের প্রায় ৫০০ মিটার পেছনে একটি বিশাল পুকুরের পরে অবস্থিত বিবি বেগনির মসজিদ যেখানে ফুলের নকশা করা রয়েছে, বিবি বেগনির মসজিদের ৫০০ মিটার পেছনে ধানক্ষেতে অবস্থিত চুনাখোলা মসজিদ এবং ষাট গম্বুজ মসজিদের সাথে সংলগ্ন মহাসড়কের পাশে অবস্থিত সিঙ্গাইর মসজিদ।





Read »

এম জে হলিডে রিসোর্ট ,সিরাজদিখান,মুন্সীগঞ্জ

মুন্সীগঞ্জে জেলা শহরের নিকটে সিরাজদিখানের ইছাপুরার এম জে হলিডে রিসোর্টে রয়েছে যুগল ও স্বপরিবারের নিজেদের মতো করে থাকা খাওয়ার সুব্যবস্থা। এখানে বিনোদনের জণ্য রয়েছে সুইমিং পুল, পার্ক, মাঠ সহ অন্যন্য অনেক সুযোগ সুবিধা। এই রিসোর্ট কর্পোরেট পিকনিক, বিবাহের অভ্যর্থনা, জন্মদিনের পার্টি, কর্পোরেট মিটিং এবং সম্মেলন, প্রেস কনফারেন্স, অ্যাকাডেমিক আলোচনাসভা, স্বাক্ষর অনুষ্ঠান, পণ্যের প্রচার এবং অন্যান্য অনুষ্ঠানের জন্য উপযোগী. মজাদার সব খাবার পরিবেশন করে ।
মূল্য তালিকা:
* স্ট্যান্ডার্ড রুম টাকা. ২,৫০০/ রাত্রি
* ডিলাক্স রুম টাকা. ৩,৫০০ / রাত্রি
* ফামিলি সুইট টাকা. ৪,৫০০ / রাত্রি
* অতিরিক্ত বেড টাকা. ৫০০
* প্রবেশ ফি: টাকা . ১,৫০০/ ব্যক্তি ( সারাদিন খাবারসহ )
* বাইরের খাবার ও পানীয় দেওয়া হয় না .
ফ্যামিলি / করপোরেট ডে আউট প্যাকেজ – ১
সময়ঃ সকাল ১১.০০ থেকে সন্ধ্যা ৬.৩০
প্যাকেজে থাকছেঃ
• ( complementary ) ১ ঘণ্টা সুইমিং পুল + ২ ঘণ্টা খেলার মাঠ + ২ ঘণ্টা মাছ ধরা
দুপুরের খাবারঃ ( সময় ; ২.০০ ) চিকেন কারী * মিক্স ভেজিটেবল * ডাল * ভর্তা ( ৩ পদ ) * ভাত * সালাদ * মিনারেল ওয়াটার
টাঁকাঃ ৬৫০ প্রতিজন
+ VAT 15% & Service Charge 10%
——————————————————-
ফ্যামিলি / করপোরেট ডে আউট প্যাকেজ – 2
সময়ঃ সকাল ৮ থেকে সন্ধ্যা ৬.৩০
প্যাকেজে থাকছেঃ
• ( complementary ) ১ ঘণ্টা সুইমিং পুল + ২ ঘণ্টা খেলার মাঠ + ২ ঘণ্টা মাছ ধরা
সকালের নাস্তাঃ ( সময় ; ৮.৩০ ) ২পরটা+ডিম+মিক্স সবজি+ডাল+কলা/কমলা+মিনারেল ওয়াটার+চা
দুপুরের খাবারঃ ( সময় ; ২.০০ )প্লেন পোলাও+চিকেন রোস্ট+বিফ রেজালা+মিক্স সবজি+দই+মিনারেল ওয়াটার,
বিকালের নাস্তাঃ ( সময় ; ৫.০০ )সমুসা+চা+মিনারেল ওয়াটার
টাঁকাঃ ১,৩৫০ প্রতিজন ( কমপক্ষে ১০ জন )
+ VAT 15% & Service Charge 10%
——————————————————-
ফ্যামিলি / করপোরেট ডে আউট প্যাকেজ – ৩
সময়ঃ সকাল ৮.৩০ থেকে সন্ধ্যা ৬.৩০
প্যাকেজে থাকছেঃ
• (complementary ) ১ ঘণ্টা সুইমিং পুল + ২ ঘণ্টা খেলার মাঠ + ২ ঘণ্টা মাছ ধরা
সকালের নাস্তাঃ ( সময় ; ৮.৩০ ) পরটা (২ টা )+বয়েল/ভাজি ডিম+ডাল+কলা/কমলা+মিনারেল ওয়াটার+চা
দুপুরের খাবারঃ ( সময় ; ২.০০ ) চিকেন কারী(বয়লার)+মিক্স ভেজিটেবল+ডাল+ভর্তা/শাখ(৩পদ)+ভাত+আচার/সালাদ + মিনারেল ওয়াটার
BBQ-Dinner ( সময়ঃ ৫.৩০ ) চিকেন BBQ ( ১ পিস ) + পরাটা (২পিস) + বুটের ডাল + সালাদ
টাঁকাঃ ১,১৫০ প্রতিজন
+ VAT 15% & Service Charge 10%
যোগাযোগ: 01931410070 ( রানা   )
ওয়েব সাইট: www.mobilekinbapricebd.com
কীভাবে যাবেন? জনপ্রতি বাসে ৫০ টাকা ভাড়া আর নিজেদের গাড়ি নিয়েও যেতে পারেন রিসোর্টে। সময় লাগবে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা।
Read »

জমিদার বাড়ি,রূপগঞ্জ,নারায়ণগঞ্জ

মুড়াপাড়ায় পা রাখতেই আপনার মনে হবে আপনি কোন প্রাচীন জনপদে পদার্পণ করেছেন। পথের দু’ধারে শত বছরের পুরোন সারি সারি পাম গাছ, সুপারি বাগান আর বিশাল আাম্রকানন। অনতিদূরে কারুকাজখঁচিত প্রকা- জমিদার বাড়ি দেখে যে কোনো পথিক কিছুক্ষণের জন্য থমকে দাঁড়াবেন। ডালপালা ছড়ানো বনশাই আকৃতির অসংখ্য সারিবদ্ধ আমগাছ। সানবাঁধানো গাছের নিচে বসে আছে বহু দর্শনার্থী ও সৌন্দর্য পিপাসু মানুষ। সারা বছরই এখানে দর্শনার্থীদের ভিড় পরিলক্ষিত হয়। আম্রকানন ঘেঁষেই শান বাঁধানো বিরাট পুকুর। পুকুরের টলমলে পানিতে জমিদার বাড়ির প্রতিচ্ছবি। ৫২ বিঘা জমির উপর বিশাল বাড়ি। বাড়ির ভেতর ঢুকলেই মনে হবে এটি কোনো সাধারণ বাড়ি নয়, যেন স্বপ্নপুরী। যেতে পারে ইউসুফগঞ্জ উপশহর এলাকায়। বিশাল এলাকা জুড়ে ছোট ছোট টিলা, সমতল ভূমি, শালবন, কাঁঠাল বাগান। সব মিলিয়ে কি বিচিত্র এখানকার রূপ। প্রাকৃতিক এ সৌন্দর্যে নিঃসন্দেহে আপনি অভিভূত হবেন। মনে হবে অসংখ্য বোটানিক্যাল গার্ডেনের জন্ম যেন এ এলাকায়। সব মিলিয়ে এই শীতে ১ দিনের জন্য সময় করে বেরিয়ে পরতে পারেন রূপগঞ্জের উদ্দেশে। রূপগঞ্জের রূপ আপনাকে সত্যিই মুগ্ধ করবে।


কিভাবে যাবেন ? গুলিস্তান থেকে নরসিংদী বা ভৈরবের বাসে করে রুপসী বা গাউছিয়া নেমে টেম্পু করে বা সি এন জি করে উপজেলা সদরে যাওয়া যায়। এভাবে গেলে বাস ভাড়া ২০-৩০ টাকা আর টেম্পু/ সি এন জি ভাড়া ২০ টাকা লাগবে। আবার ঢাকার টঙ্গী থেকে কাঞ্চন ব্রীজ বাসে এসে সি এন জি করে সদরে যাওয়া যায়। এভাবে গেলে ভাড়া ৫০-৬০ টাকা লাগবে। নৌ পথেও যাতায়াত করা যায় শীতলক্ষ্যা নদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ বা ঢাকা থেকে। কিন্তু পাবলিক কোন নৌ পরিবহন ব্যবস্থা নাই। রিসারভ নৌকা নিয়ে যাওয়া যাবে।
Read »

Wednesday, October 19, 2016

সুন্দরবন ভ্রমন

সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশস্ত বনভূমি যা বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়াবলীর অন্যতম। পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীত্রয়ের অববাহিকার বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত এই অপরূপ বনভূমি বাংলাদেশেরখুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালি ও বরগুনা জেলা জুড়ে বিস্তৃত। সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে সুন্দরবন বিশ্বের সর্ববৃহৎ অখণ্ড বনভূমি। ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে। সুন্দরবন ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। এর বাংলাদেশ ও ভারতীয় অংশ বস্তুত একই নিরবচ্ছিন্ন ভূমিখণ্ডের সন্নিহিত অংশ হলেও ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় ভিন্ন ভিন্ন নামে সূচিবদ্ধ হয়েছে; যথাক্রমে “সুন্দরবন” ও “সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান” নামে। সুন্দরবনকে জালের মত জড়িয়ে রয়েছে সামুদ্রিক স্রোতধারা, কাদা চর এবং ম্যানগ্রোভ বনভূমির লবণাক্ততাসহ ক্ষুদ্রায়তন দ্বীপমালা। মোট বনভূমির ৩১.১ শতাংশ, অর্থাৎ ১,৮৭৪ বর্গকিলোমিটার জুড়ে রয়েছে নদীনালা, খাঁড়ি, বিল মিলিয়ে জলাকীর্ণ অঞ্চল। বনভূমিটি, স্বনামে বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার ছাড়াও নানান ধরণের পাখি, চিত্রা হরিণ, কুমির ও সাপসহ অসংখ্য প্রজাতির প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত। জরিপ মোতাবেক ৫০০ বাঘ ও ৩০,০০০ চিত্রা হরিণ রয়েছে এখন সুন্দরবন এলাকায়। ১৯৯২ সালের ২১শে মে সুন্দরবন রামসার স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

নামকরণ

বাংলায় সুন্দরবন-এর আক্ষরিক অর্থ সুন্দর জঙ্গল বা সুন্দর বনভূমি। সুন্দরী গাছ থেকে সুন্দরবনের নামকরণ হয়ে থাকতে পারে, যা সেখানে প্রচুর জন্মায়। অন্যান্য সম্ভাব্য ব্যাখ্যা এরকম হতে পারে যে, এর নামকরণ হয়তো হয়েছে “সমুদ্র বন” বা “চন্দ্র-বান্ধে (বাঁধে)” (প্রাচীন আদিবাসী) থেকে। তবে সাধারণভাবে ধরে নেয়া হয় যে সুন্দরী গাছ থেকেই সুন্দরবনের নামকরণ হয়েছে।


মুঘল আমলে (১২০৩-১৫৩৮) স্থানীয় এক রাজা পুরো সুন্দরবনের ইজারা নেন। ঐতিহাসিক আইনী পরিবর্তনগুলোয় কাঙ্ক্ষিত যেসব মৌলিক পরিবর্তন হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে বিশ্বের প্রথম ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক তত্ত্বাবধানের অধীনে আসা। ১৭৫৭ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর এর কাছ থেকে স্বত্বাধিকার পাওয়ার পরপরই সুন্দরবন এলাকার মানচিত্র তৈরি করা হয়। বনাঞ্চলটি সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনার আওতায় আসে ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে ভারতের তৎকালীন বাংলা প্রদেশে বন বিভাগ স্থাপনের পর থেকে।
অষ্টাদশ শতাব্দীর শুরুতে সুন্দরবনের আয়তন বর্তমানের প্রায় দ্বিগুণ ছিল। বনের উপর মানুষের অধিক চাপ ক্রমান্বয়ে এর আয়তন সংকুচিত করেছে। ১৮২৮ সালে বৃটিশ সরকার সুন্দরবনের স্বত্ত্বাধীকার অর্জন করে। এল. টি হজেয ১৮২৯ সালে সুন্দরবনের প্রথম জরীপ কার্য পরিচালনা করেন। ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয় এবং ১৮৭৯ সালে সমগ্র সুন্দরবনের দায় দায়িত্ব বন বিভাগের উপর ন্যস্ত করা হয়। সুন্দরবনের প্রথম বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নাম এম. ইউ. গ্রীন। তিনি ১৮৮৪ সালে সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের সময় সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার বাংলাদেশ অংশে পড়ে। যা বাংলাদেশের আয়তনের প্রায় ৪.২% এবং সমগ্র বনভূমির প্রায় ৪৪%।
সুন্দরবনের উপর প্রথম বন ব্যবস্থাপনা বিভাগের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬৯ সালে। ১৯৬৫ সালের বন আইন (ধারা ৮) মোতাবেক, সুন্দরবনের একটি বড় অংশকে সংরক্ষিত বনভূমি হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয় ১৮৭৫-৭৬ সালে। পরবর্তী বছরের মধ্যেই বাকি অংশও সংরক্ষিত বনভূমির স্বীকৃতি পায়। এর ফলে দূরবর্তী বেসামরিক জেলা প্রশাসনের কর্তৃত্ব থেকে তা চলে যায় বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণে। পরবর্তীতে ১৮৭৯ সালে বন ব্যবস্থাপনার জন্য প্রশাসনিক একক হিসেবে বন বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়, যার সদর দপ্তর ছিল খুলনায়। সুন্দরবনের জন্য ১৮৯৩-৯৮ সময়কালে প্রথম বন ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণিত হয়।

সুন্দরবনের জলবর্তী অববাহিকায় শ্বাসমূলের মেলা।
১৯১১ সালে সুন্দরবনকে ট্র্যাক্ট আফ ওয়াস্ট ল্যান্ড হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়, যা না তো কখনো জরিপ করা হয়েছে আর না তো কোনদিন শুমারীর অধীনে এসেছে। তখন হুগলী নদীর মোহনা থেকে মেঘনা নদীর মোহনা পর্যন্ত প্রায় ১৬৫ মাইল (২৬৬ কি.মি.) এলাকা জুড়ে এর সীমানা নির্ধারিত হয়। একই সাথে চব্বিশ পরগনা , খুলনা ও বাকেরগঞ্জ এই তিনটি জেলা অনুযায়ী এর আন্তঃসীমা নির্ধারণ করা হয়। জলাধারসহ পুরো এলাকার আয়তন হিসেব করা হয় ৬,৫২৬ বর্গমাইল (১৬,৯০২ কি.মি)। জলবহুল সুন্দর বন ছিল বাঘ ও অন্যান্য বন্য জন্তুতে পরিপূর্ণ। ফলে জরিপ করার প্রচেষ্টা খুব একটা সফল হতে পারেনি। সুন্দরবনের নামকরণ হয়েছে খুব সম্ভবত এর প্রধান বিশেষ গাছ সুন্দরীর (Heritiera fomes) নাম থেকেই। এ থেকে পাওয়া শক্ত কাঠ নৌকা, আসবাবপত্র সহ বিভিন্ন জিনিস তৈরীতে ব্যবহৃত হয়। সুন্দরবন সর্বত্রই নদী, খাল, ও খাঁড়ি দ্বারা বিভক্ত, যাদের মধ্যে কয়েকটি স্টিমার ও স্থানীয় নৌকা উভয়ের চলাচল উপযোগী নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হত কলকাতা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার মধ্যে যোগাযোগের জন্য।
 ব্যাস্ত মানুষ তারা ১ দিনের(ঢাকা থেকে গেলে মোট ২ দিন) জন্য ঘুরে আসতে পারেন সুন্দরবন থেকে। 
এটাকে বলতে পারেন দুধের সাধ ঘোলে মেটানোর মতন। সুন্দরবনে এডভেঞ্চার বলতে যা বুঝায় সেটা এখানে পাবেন না আগেই বলে দিচ্ছি। সেসবের জন্য ন্যূনতম ৩-৪ দিন সময় নিয়ে ফরেস্ট রেঞ্জারের অনুমতি নিয়ে হিরন পয়েন্ট, কটকা এসব জায়গায় যাওয়া দরকার। 
প্রথমে খুলনা/বাগেরহাট থেকে আপনার যেতে হবে মংলা।(আপনি ঢাকা থেকে সরাসরি মংলাও যেতে পারন) 
দু'জায়াগা থেকেই সরাসরি মংলার বাস পাবেন।(বাস ভাড়া ৪০-৫০টাকা) খুলনা থেকে ৪২-৪৩ কিমি দূরে মংলা। বাসগুলো মংলায় পশুর নদীর পাড়েই আপনাকে নামিয়ে দেবে(সর্বশেষ স্টপেজ)। 
নদীর ওপারে মংলা শহর। যদি ঘোরার ইচ্ছা থকে তাহলে ওপারে যেতে পারেন। খাওয়া দাওয়া করতে চাইলেও ওপারে যাওয়াই ভালো। ওখানে বেশ কয়েকটা রেস্টুরেন্ট পাবেন নাস্তা করার জন্য। 
এপারে/ওপারে যেখানেই থাকুন না কেন ফেরী ঘাটে দেখবেন বেশ কিছু ইঞ্জিনচালিত নৌকা দাঁড়িয়ে আছে।
(এগুলোকে বলে জালি বোট) 
একটা নৌকায় ১০-১২ জন স্বাছন্দে যেতে পারেন। নৌকার ছাদের উপর বসার আয়োজনটাও ভালই। রওনা হবার আগেই বোটম্যানের সাথে ভাড়ার ব্যাপারটা চুড়ান্ত করে নেবেন। 
মংলা-করমজল-মংলা মোট ভাড়া ৬০০-৮০০ টাকা এরকম নিবে।করমজল পৌছাতে লাগবে ৫০ মিনিট।পশুর নদী দিয়ে যেতে যতে এমন দৃশ্য আপনার চোখ জুড়াবেই


Read »

Sunday, October 16, 2016

কাপ্তাই ভ্রমন

কাপ্তাই বাঁধ

পাকিস্তান সরকার ১৯৫৬ সালে আমেরিকার অর্থায়নে কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণ শুরু করে। ১৯৬২ সালে এর নির্মাণ শেষ হয়। ইন্টারন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি এবং ইউতাহ ইন্টারন্যাশনাল ইনকর্পোরেট ৬৭০.৬ মিটার দীর্ঘ ও ৫৪.৭ মিটার উচ্চতার এ বাঁধটি নির্মাণ করে। এ বাঁধের পাশে ১৬টি জলকপাট সংযুক্ত ৭৪৫ ফুট দীর্ঘ একটি পানি নির্গমন পথ বা স্প্রিলওয়ে রাখা হয়েছে। এ স্প্রিলওয়ে প্রতি সেকেন্ডে ৫ লাখ ২৫ হাজার কিউসেক ফিট পানি নির্গমন করতে পারে। এ প্রকল্পের জন্য তখন প্রায় ২৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা বাজেট নির্ধারণ করা হলেও পরে তা ৪৮ কোটি ছাড়িয়ে যায়।[১]

পর্যটন

কাপ্তাই লেককে ঘিরেই মূলত রাঙামাটি জেলার পর্যটন শিল্প গড়ে উঠেছে। এই লেকের উপর রয়েছে বিখ্যাত ঝুলন্ত ব্রীজ। লেকের দুই ধারই পাহাড়-টিলা দিয়ে ঘেরা। ট্রলার ভাড়া করে লেকে ভ্রমণ করা যায়। ট্রলারে করে যাওয়া যায় শুভলং জলপ্রাপাতে। লেকের পাড়ে রয়েছে নতুন চাকমা রাজবাড়ি ও বৌদ্ধ মন্দির। পুরাতন চাকমা রাজবাড়ি কাপ্তাই বাঁধ নির্মানের সময় লেকে তলিয়ে যায়। রাজবন বিহার বাংলাদেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বৃহত্তম বিহার রাঙামাটি শহরের অদূরেই অবস্থিত, যা পূণার্থী এবং দর্শনার্থীদের অন্যতম আর্কষনীয় স্থান।




জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ছাড়াও হ্রদটি অন্যান্য দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। লেকটির মাধ্যমে একটি বৈচিত্রপূর্ণ ও দীর্ঘ জলপথের সৃষ্টি হয়েছে। আগে যেখানে অনেক জায়গায় যেতে সারাদিন বা তারও বেশি লেগে যেত, এখন সেখানে স্পিড বোট বা লঞ্চে যেতে লাগছে মাত্র কয়েক ঘন্টা সময়। পাহাড়ব্যাপী জঙ্গলে বনজ সম্পদ অনুসন্ধানে এখন অনেক দূর্গম অঞ্চলেও সহজে ঢোকা সম্ভব হচ্ছে। সমগ্র হ্রদটি পর্যটকদের জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থান।  কৃষি ও মৎস্যসম্পদ উন্নয়নেও হ্রদটির অবদান উল্লেখযোগ্য। বছরের বিভিন্ন মাসে হ্রদে পানির উচ্চতা ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায়, হ্রদতীরবর্তী এলাকা এক ধরনের স্বয়ংক্রিয় সেচ সুবিধা লাভ করছে যা চাষের জন্য জমিকে খুব উর্বর করে তুলছে। এখানকার জনগণ  স্থানীয় সরকার-এর সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে ইজারা ব্যবস্থায় প্রায় ৬,০৭৫ হেক্টর এলাকায় নিয়ন্ত্রিত কৃষিকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। হ্রদটির আনুমানিক আয়ুষ্কাল ৯০ বছর যার পর এর তলদেশ পলিপাথরের আস্তরণে সম্পূর্ণ মজে যাওয়ার কথা। সে পর্যন্ত হ্রদটি হ্যাচারী ও মৎস্য উৎপাদনের মূল্যবান আধার হিসেবে চালু থাকবে। জলাধারের উৎপাদিত মাছ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়েও দেশের অন্যান্য এলাকায় চালান করা হয়। বার্ষিক মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ ৭,০০০ টনের বেশি। তবে বর্ষাকালে ঘন ঘোলাস্রোতের কারণে  প্ল্যাঙ্কটন উৎপাদন ব্যাহত হয়। তবে পানির স্রোতের সঙ্গে বয়ে আসে অতি উচ্চমানের পুষ্টি সরবরাহ। তাই পানি পরিষ্কার হয়ে এলে প্ল্যাঙ্কটনের উৎপাদন আবার বৃদ্ধি পায়। নীলসবুজ ও সবুজ  শৈবাল ও ডায়াটম এ জলাধারের উদ্ভিদকণার প্রধান উপাদান যা রুই-কাতল মাছের প্রধান খাদ্য। এখানকার জুপ্লাঙ্কটন (zooplankton) রোটিফার (rotifers) দ্বারা প্রভাবিত। অন্যান্য জুপ্লাঙ্কটনের উপাদান খুবই কম যা অধিকাংশ গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলাধারের বৈশিষ্ট্য। বেন্থিক প্রাণীকুলের (Benthic fauna) মধ্যে রয়েছে প্রধাণত রক্ত-কৃমি বা জোঁক (leesh), শামুকজাতীয় প্রাণী, এনিলিডস ও কেওবারিডস।

বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন, ফ্রেশ ওয়াটার রিসার্চ সাব-স্টেশন এবং অ্যাকুয়াটিক রিসার্চ গ্রুপ-এর ব্যাপক মাঠ পর্যায়ের পর্যবেক্ষণের রেকর্ড থেকে দেখা গেছে ১৯৮৫ সালে হ্রদে মাছের প্রধান প্রজাতি রুই এর উৎপাদন দারুণভাবে কমে যায়, যা ছিল কাপ্তাই লেকের মৎস্য উৎপাদন ইতিহাসে সবচেয়ে কম। অত্যধিক পরিমাণ রুই মাছ তুলে নেওয়ার কারণেই এটা ঘটেছিল। হেক্টর প্রতি লেকের মাছের উৎপাদন বর্তমানে ১০০ কিলোগ্রামের বেশি। রুইমাছের উৎপাদনের অনুপাত ধীরে ধীরে কমে আসায় সামুদ্রিক ক্লুপিডের (Pelagic Clupeids) প্রজনন অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে যে দুটি প্রজাতি সবচেয়ে বেশি ধরা পড়ছে সেগুলি হচ্ছে  চাপিলা (Gudnsia chapra) ও কাচকি (Corica soborna)। বর্তমানের মোট ধৃত মাছে এ দুই প্রজাতির অনুপাত ৫০%। প্রাপ্ত মাছের তালিকায় আট প্রজাতির মাছের বাণিজ্যিক গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। এগুলি হচ্ছে কাতলা (Catla catla), মৃগেল (Cirrhinus mrigala), রুই (Lebeo rohita), কালিবাউস (L. calbasu), ঘনিয়া (L goinus), চিতল (Notopterus chitala), বোয়াল (Wallago attu) এবং চাপিলা (Gudusia chapra)। কাপ্তাই লেকে রয়েছে মৎস্য চাষের সম্ভাবনা। মৎস্য বিধির বাস্তবায়ন ও উন্নত ব্যবস্থাপনার প্রবর্তন লেকটিকে আরও লাভজনক ও দীর্ঘস্থায়ী করে তুলতে পারে।
সাম্প্রতিক কালে কাপ্তাই লেকের চারপাশে রাসায়নিক  সার ও  কীটনাশক ব্যবহারের কারণে পানি দূষিত হওয়ায় জলজপ্রাণীর ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ছে। ১৯৬৬ সালে যেখানে মোট মাছ উৎপাদনের মধ্যে বড় মাছের অংশ ছিল ৭৮%, ১৯৯৩ সালে তা মাত্র ২ শতাংশে নেমে এসেছে। এ ছাড়াও প্রতিদিন লেকটিতে ৫ টনেরও বেশি মনুষ্য বিষ্ঠা ও অন্যান্য বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। লেকের চারপাশের ৮৫ শতাংশ মানুষই পানীয় জল, রান্না, ধোয়া-মোছা, গোসল ইত্যাদির জন্যে এ লেকের পানির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় জনস্বাস্থ্যের প্রতি হুমকি ভয়ানকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ রাঙ্গামাটি শহরে যে পানীয় জল সরবরাহ করছে তাতেও জীবাণুর অনুপাত গ্রহণযোগ্য মাত্রার ১০ গুণেরও বেশি। বদ্ধ ও ধীর গতিসম্পন্ন বিশাল জলাধার  মশা ও অন্যান্য পোকামাকড় বংশবিস্তারে খুবই সহায়ক হওয়ায় ম্যালেরিয়া রোগের ঝুঁকিও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। লেকের কারণে আরও কিছু সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, নৌপরিবহণের কারণে অনেকের পক্ষেই অবৈধভাবে বনজসম্পদ উজাড় করা সম্ভব হচ্ছে বিশেষ করে এমন সব প্রত্যন্ত অগম্য অঞ্চল থেকে, যেখানে লেক সৃষ্টি হওয়ার আগে যোগাযোগ খুবই অসুবিধাজনক ছিল। এর দরুণ ১২৭ বর্গ কিমি ব্যাপী সংরক্ষিত বনাঞ্চল এবং ৬০৬ বর্গ কিমি খাসজমি ও পাহাড়ি বন-জঙ্গল উজাড় হতে চলেছে। [সিফাতুল কাদের চৌধুরী এবং নূরউদ্দিন মাহমুদ]
Read »

Dhaka Swadesh Sunvalley Abashan travels

যদি অাপনি ঢাকার মধ্যে সবথেকে সুন্দর কাঁশবন দেখতে চান অার অক্সিজেন যুক্ত বাতাসে খেতে চান যেখানে অাপনি বা অাপনারা ছাড়া অার কোন মানুষ(কিছু অমানুষ অাছে) থাকবে না প্রায় ৫ কি:মি: এলাকা শুধু অাপনারা থাকবেন যা ইচ্ছা তাই করবেন ইচ্ছা হলে গলা ছেড়ে চিল্লাবেন কেউ দেখবে না শুনবে না এমন জায়গায় যেতে চান তাহলে এটাই সেই জায়গা। পরিবেশ নষ্ট হওয়ার অাগে এখনি ঘুরে অাসুন। চারদিকে কাঁশবন দুদিকে পানি মাঝে ইটের রাস্তা, সেখানে কাশফুলের পালক পরে এমন হয়ে অাছে মনে হবে সাদা তুষার!! যেতে চাইলে এই ২ সপ্তাহ বেটার হবে তারপর অার কাঁশফুল পাবেন না। (কমেন্টে অারও ছাবি অাছে)
রিকয়ারমেন্ট: যে কোন ধরনের ৩ ও ৪ চাকার গাড়ি এন্ড মেয়েদের নিয়ে সেখানে যেতে পারবেন না। সাইকেল, মোটরসাইকেল, ভাল হাঁটতে পারার মত পা যে কোন একটা হলেই চলবে। মিনিমাম টিমমেট ৭-৮ জন হওয়া ভাল মোটরসাইকেল/ সাইকেল হলে ৪-৫ জন।
যেভাবে যাবেন: রামপুরা থেকে ৩০ টাকা রিকসা ভাড়া দিয়ে অাফতাবনগরের শেষ মাথায় লেকের পার যাবেন সেখান থেকে সোজা পায়ে হেটে স্বদেশ প্রপার্টিজের চেক পয়েন্টে ঢুকবেন তারপর সেখানে যেয়ে সিকিউরিটি চাচার সাথে নমনীয় ভাবে কথা বলে নাম রেজিস্টার করবেন ফেস ভাল হলে এমনি ঢুকতে দিবে না দিলে কপাল খারাপ মনে করবেন। যারা নতুন ঘুরাঘুরি করেন তাদের কাছে চেকপয়েন্ট পর্যন্ত গেলেই মনে হবে জীবন সার্থক তারপর সামনে হাঁটা শুরু করবেন অার ছবিতোলা বাদ দিয়ে সৌন্দর্য উপভোগ করবেন। প্রায় ৫ কি:মি: হাটার পথ একটাই রাস্তা হারানোর ভয় নেই বেশি ভয় পেলে গুগল ম্যাপ দেখে হাটবেন তারপর স্বদেশ প্রপার্টিজের একদম সামনের ১ কি:মি: এ সিকিউরিটি গার্ড থাকবে পথ হারালে তারাই বলে দিবে কোনদিক দিয়ে বের হবেন। স্বদেশ প্রপার্টিজ থেকে বের হয়ে রিকসায় করে বাড্ডা চলে অাসতে পারেন হাতে সময় থাকলে বালু নদী দেখতে বেড়াইদা যেতে পারেন। নদী দেখে লস হবে না, বেড়াইদা থেকে চাইলে ট্রলার রিজার্ভ করে (৫০০ টাকার মত নিবে) মেরাদিয়া অাসতে পারবেন অথবা বালু নদী নৌকায় প্রতিজন ৫ টাকা দিয়ে পার হয়ে সিএজি / অটোতে করে কাঞ্চন সেখান থেকে ট্রলারে ১০ টাকা করে ত্রিমোহনি সেখান থেকে সিএজিতে ১৫ টাকা করে মেরাদিয়া, চাইলে ১০০ টাকা বাড়িয়ে ত্রিমোহনি না নেমে সোজা মেরাদিয়া অাসতে পারবেন সেখান থেকে রামপুরা রিকসা/বাস।
যা মনে অার মাথায় রাখাবেন: জায়গাটা ভাল না দিন-দুপুরে এখানে ছিনতাই বা অারও খারাপ কিছু হয়, সন্ধার অাগে স্বদেশ প্রপার্টিজ থেকে বের হবেন এনিহাউ। নিজের রিস্কে যাবেন বিপদে পড়লে অামাকে গালি না দিয়ে অাল্লাহকে স্বরন করবেন। অার ইনবক্য এ গফ নিয়ে যাওয়া যাবে কিনা অাস্ক করার অাগে রিকয়ারমেন্ট অাবার পড়ে দেখবেন। মনে রাখবেন রিস্ক শুধু স্বদেশ প্রপার্টিজ অার অাফতাবনগরের শেষ প্রান্তে বাকিটা না। রাস্তাটা হেটে পার করার পক্ষে কষ্টকর সাথে পানি নিবেন মাষ্ট।

Read »

Copyright © 2015 Tourist Spots of Bangladesh || Blog for visiting, Traveling bangladesh

Designed by Templatezy | Distributed By Blogger Templates